বাইক

দেড় লাখ টাকা বাজেটে ২০২৩ সালের সেরা ৫টি মোটরসাইকেল

সেরা মোটরসাইকেল

অল্প বাজেটে ভালো বাইক! বর্তমান বাংলাদেশে যানজটে ভরা ঢাকা শহরে সহজ ও দ্রুততম উপায়ে যাতায়াতের জন্য মোটরসাইকেল খুব ভালো বাহন। তবে, উন্মুক্ত অবস্থানে বসতে হয় বলে মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ঘটনার সম্ভবনা বেশি থাকে। তারপরও এর উপযোগিতা,অনেক সময় শর্টকাট রাস্তা বের করা যায় ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য এবং অন্যান্য গাড়ির তুলনায় কম ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে অনেকে মোটরসাইকেলই বেশি পছন্দ করেন।

আমরা যে মোটরসাইকেলের পাঁচটি মোটরসাইকেলের কথা বলতে চাই তার মধ্যে অনেক ভালো মানের মোটরসাইকেল হল বাজার তার অনেক তেল সাশ্রয় ভালো আপনারা যদি নতুন মোটরসাইকেল কিনতে চান, তাহলে দেড় লাখ টাকার মধ্যে ৫টি সেরা মোটরসাইকেল থেকে বেঁছে নিতে পারেন যেকোনোটি। তবে, মনে রাখবেন দোকানভেদে এসব মোটরসাইকেলের দাম কমবেশি হতে পারে সেটা আপনারা দরদামে মাধ্যমে ঠিক করে নেবেন

দেড় লাখ টাকা বাজেটের মধ্যে ৫টি সেরা মোটরসাইকেল

বর্তমান বাংলাদেশে নতুন মডেল এসেছে সুজুকি জিএসএক্স ১২৫ : নিয়মিত ব্যবহারের জন্য সুজুকি জিএসএক্স ১২৫ একটি অসাধারণ বাইক। এটি একটি উৎকৃষ্টমানের কমিউটার বাইক। এই বাইকটি ঢাকা শহরের এবড়োথেবড়ো ও জণাকীর্ণ রাস্তায় চলাচলের উপযোগী করে ডিজাইন করা হয়েছে। বাইকটির অসাধারণ বৈশিষ্ট্য ও সামর্থ সুজুকি নামটি অক্ষুণ্ণ রেখেছে তা দেখে যেন সহজে বুঝতে পারা যায় এই বাইকটির নাম ।

বর্তমানে বাংলাদেশে যে বাইকের মূল্য: ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মোটরসাইকেল পাবেন ।বর্তমানে ডিস্ট্রিবিউটর: র্যাংকন মোটরস লিমিটেড সিসি: ১২৪ ইঞ্জিন: এয়ারকুলড, ১-সিলিন্ডার ৪-স্ট্রোক ট্রান্সমিশন: ৫ স্পিড ম্যানুয়াল সাসপেনশন: টেলিস্কোপিক (সামনে), হাইড্রোলিক স্প্রিং ড্যাম্পিং (পেছনে) ব্রেক: একক ডিস্ক (সামনে), ড্রাম ব্রেক (পেছনে) এবিএস: নেই বর্তমানে এই বাইকটি বাংলাদেশে খুব মার্কেট পেয়েছি ।

বর্তমানে বাংলাদেশে হোন্ডা সিবি শাইন এসপি : হোন্ডার পুরনো নন-এসপি মডেলকে আপগ্রেড করে সঙ্গে অতিরিক্ত একটি গিয়ার যোগ করে হোন্ডা সিবি শাইন এসপি মডেলটি বাজারে আনা হয়েছে, হোন্ডা সিবি সাইন আগে ছিল চারটি গিয়ার এখন একটি বাড়ানোর পর এখন হয়েছে 5 টি গিয়ার । বতমানে বাইকটির ডায়মন্ড ফ্রেমের কারণে চালানোর সময় সঠিক হ্যান্ডলিং ও গতিশীলতা নিশ্চিত করে। বর্তমান বাইকটি ‍বিশেষ করে শহরের যাত্রীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে । পাশাপাশি সহজ ও আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা রয়েছে। এক শহর থেকে অন্য শহরে ভ্রমণের জন্যেও বাইকটি বেশ উপযোগী বলা যায়।

বর্তমানে হোন্ডা ড্রিম ১১০ : হোন্ডা ড্রিম ১১০ বাইকটিকে অন্যতম সাশ্রয়ী একটি বাইক হিসেবে বলা যায় আমাদের এই বাইকটি অনেক তেল সাশ্রয় । বাইকপ্রেমিদের জন্য হোন্ডা ড্রিম নিওর আপডেট ভার্সন এটি। বাইকটি চালানো খুবই সহজ ও আরামদায়ক বাইকটির কভার গুলো অনেক ভালো । হোন্ডার দাবি, বাইকটিতে প্রতি লিটার জ্বালানীতে ৭৪ কিলোমিটার চলতে পারে। তবে, দেশের সবচেয়ে জ্বালানী-সাশ্রয়ী বাইকগুলোর মধ্যে একটি হলো হোন্ডা ড্রিম ১১০।

বাইকটিতে রয়েছে অ্যাডজাস্টটেবল সাসপেনশন, যা বাইকটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বাইকটির অসুবিধা হিসেবে বলা যায় কোনো ডিস্ক-ব্রেক নেই, তবে দামের দিক থেকে বেশ সাশ্রয়ীআর বলা যায় যে এই বাইকটি আপনাদের পছন্দ হবে কারণ বলা যায় বাইকটির তেল সাশ্রয়ী অনেক ভালো তেল সাশ্রয়ের এদিক দিয়েই এই বাইকটি আমাদের অনেক ভাল।

বর্তমানে বাংলাদেশে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যে। ডিস্ট্রিবিউটর: বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড। সিসি: ১১০। ইঞ্জিন: এয়ারকুলড, ৪-স্ট্রোক বিএস-আইভি। ট্রান্সমিশন: ৪ স্পিড ম্যানুয়াল। সাসপেনশন: টেলিস্কোপিক ফর্ক (সামনে), ৫ ধাপ অ্যাডজাস্টেবল টুইন-স্প্রিং লোডেড (পেছনে)
ব্রেক: ড্রাম ব্রেক (সামনে এবং পেছনে) এবিএস: নেই আশা করা যায় যে আপনাদের এই বাইক গুলা ভালো লাগেছে আর এই বাইক গুলো অনেক তেল সাশ্রয়ী।

বন্ধুরা আপনারাদের যদি এই বাইক গুলা ভালো লাগে তাহলে আমাদের পাসে থাকুন আর আপনারা এই বাইক গুলো কিনতে পারেন। ওকে ধন্যবাদ বন্ধুরা। অল্প বাজেটে ভালো বাইক

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।