খেলাধুলা

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৭ লাইফ টিভি চ্যানেল, অ্যাপস & ভ্যেনুর ধারণ ক্ষমতা

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৭ লাইফ অ্যাপস

Table of Contents

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ লাইফ  অ্যাপস! ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩, ১৯৭৫ সাল থাকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ১৩ তম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ওয়ানডে বিশ্বকাপ মোট ৬টি দেশে জিতেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অস্ট্রেলিয়া মোট ৫বার এই ট্রফি জয় করেছে।

আমরা সকলেই জানি এখন পর্যন্ত ওয়ানডে বিশ্বকাপ মোট ৯টি দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হলে ভারত দ্বিতীয়বারের মতো তাদের নিজেদের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ এককভাবে আয়োজন করবে। এর আগে ভারত সর্বপ্রথম ১৯৮৭ সালে এককভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ছিল।

এরপর যৌথভাবে ১৯৯৬ সালে পাকিস্তান এবং শ্রীলংকার সঙ্গে এবং সর্বশেষ ২০১১ সালে বাংলাদেশ এবং শ্রীলংকার সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশের মর্যাদা অর্জন করেছিল।

যেহেতু ভারত দ্বিতীয়বারের মতো একক ভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। তাই ভারত এবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সকল ম্যাচগুলো ১০টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত করবে।

আজকে আমরা জানবো ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের স্টুডিয়াম গুলো ধারন ক্ষমতা সম্পর্কে এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ কোথায় সরাসরি দেখা যায় সেসব টিভি চ্যানেল এবং ওয়েবসাইট সম্পর্কে।

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ টুর্নামেন্ট ওভারভিউ

আসর ১৩ তম
স্বাগতিক দেশ ভারত
ক্রিকেট ফরম্যাট ওয়ানডে ম্যাচ
উদ্বোধনী ম্যাচ ৫ অক্টোবর, ২০২৩
ফাইনাল ম্যাচ নভেম্বর ১৯, ২০২৩
অংশগ্রহণকারী দল ১০ টি
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট https://www.cricketworldcup.com/
লাইভ স্ট্রিম বিশ্বের সকল দেশের টিভি চ্যানেল
প্রধান পরিচালক বোর্ড আইসিসি (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল )
ক্রিকেট ফরম্যাট ৫০-৫০ ওভার (ODI)
মোট দল ১০টি
মোট ম্যাচ ৪৮টি

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ সকল স্টেডিয়াম

এবার ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের মোট ৪৮ টি ম্যাচ ১০ টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৯টি স্টেডিয়ামে ৫টি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং শুধুমাত্র হায়দ্রাবাদ স্টেডিয়ামে ৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। নিচে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ এর সকল স্টেডিয়ামের নাম দেওয়া হলো।

১/ হায়দ্রাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম

২/ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম

৩/ ধর্মশালার হিমাচল ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়াম

৪/  দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম

৫/ চেন্নাইয়ের এম এ চিতাম্বাড় স্টেডিয়াম

৬/ লাখনোর একানা স্টেডিয়াম

৭/ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়াম

৮/ বেঙ্গালুরের চেন্নাই ছোয়মি স্টেডিয়াম

৯/ মুম্বাইয়ের ওয়ান খেরে স্টেডিয়াম

১০/ কলকাতার ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম

বন্ধুরা আজকে আমরা আপনাদেরকে জানাবো, ভারতে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে ১০টি ভেন্যুতে কয়টি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতিটি ভেন্যুর ধারন ক্ষমতা কত। নিচে এসব ভেন্যুর পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেওয়া হল।

১/ হায়দ্রাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম

হায়দ্রাবাদ হচ্ছে ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজধানী। যেখানে মোট জনসংখ্যা ৫৯ লক্ষ।  হায়দ্রা অর্থ সিংহ অর্থাৎ হায়দ্রাবাদের অর্থ হচ্ছে সিংহের শহর।

শহরটি চারপাশে বিভিন্ন ধরনের ঝর্ণা পাহাড় পর্বতে ঘেরা। এই রাজ্যে অবস্থিত হায়দ্রাবাদ স্টেডিয়াম। যেখানে বিশ্বকাপের মোট ৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তান এবং নেদারল্যান্ডসের মধ্যে।

এরপর দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে নিউজিল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডসের মধ্যে এবং সর্বশেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তান এবং শ্রীলংকার মধ্যে। হায়দ্রাবাদ স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৫৫ হাজার।

হায়দ্রাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম

২/ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম

নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম ভারতের গুজরাট রাজ্যে অবস্থিত। এটি সর্ব প্রথম ১৯৮৩ সালে নির্মাণ করা হয় এবং ২০১৫ সালে ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ের মাধ্যমে পুনর্নির্মাণ করা হয়।

যেখানে দর্শকের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়। বর্তমানে এই স্টেডিয়ামে প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা রয়েছে। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ আহমেদাবাদ স্টুডিয়াম সবচেয়ে বেশি দর্শক ধারণ ক্ষমতার জন্য ভারত ক্রিকেট বোর্ডের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেননা এই স্টেডিয়ামেই সবচেয়ে বড় ম্যাচ ভারত এবং পাকিস্তান একে অপরের মোকাবেলা করবে এবং উদ্বোধনী ম্যাচটিও এই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এবং সর্বশেষ ফাইনাল ম্যাচ এই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে এবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ এর পর্দা নামবে।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম

৩/ ধর্মশালার হিমাচল ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়াম

ভারতের হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালা শহরে এই স্টেডিয়াম অবস্থিত। স্টেডিয়ামটি পুরুষ টেস্ট ম্যাচ ২০১৭ সালে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ম্যাচের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।

স্টেডিয়ামটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল ২০০৩ সালে। ভারতের মধ্যে সবচেয়ে আধুনিক স্টুডিয়াম বলে এই স্টেডিয়াম টির নাম রয়েছে।

এই স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ এই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং ভারত বনাম নিউজিল্যান্ডের একটি ম্যাচ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম নেদারল্যান্ডসের একটি করে ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হবে। ধর্মশালা স্টেডিয়ামে ধারণ ক্ষমতার ২৩ হাজার।

ধর্মশালার হিমাচল ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়াম

৪/  দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম

অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম ভারতের দিল্লি  শহরে অবস্থিত। এটি পূর্বে ফিরোজ  শাহ কোটলা স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। স্টুডিয়ামটি যাত্রা শুরু করে ১৮৮৩ সালে এবং এখানে প্রথম ভারত দলের পুরুষ টেস্ট ম্যাচ আয়োজিত হয় ১৯৪৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।

এটি ভারতের জন্য একটি লাকি স্টেডিয়াম বলে আখ্যায়িত হয়ে থাকে। কেননা এখানে ভারত ২০১৫ সাল পর্যন্ত টেস্টে ২৮ বছর এবং একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০ বছরের অধিক সময় ধরে অপরাজিত ছিল। স্টুডিয়ামটির ধারণক্ষমতা ৪১ হাজার ৮৪২ জন। এখানে বিশ্বকাপের মোট পাঁচটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম

৫/ চেন্নাইয়ের এম এ চিতাম্বাড় স্টেডিয়াম

এম এ চিতাম্বাড় স্টেডিয়াম ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন স্টেডিয়াম গুলোর মধ্যে একটি এটি। স্টেডিয়ামটি সর্বপ্রথম ১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ১৯৩৪ সালে ভারত বনাম ইংল্যান্ড পুরুষ টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।

স্টেডিয়ামটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে অবস্থিত। স্টুডিয়ামটির আগে ধারণ ক্ষমতা ছিল ৩৮ হাজার। কিন্তু বর্তমানে এটি পুনর সংস্কার করার মাধ্যমে এর ধারণক্ষমতার বৃদ্ধি করে ৫০ হাজার করা হয়েছে।

এই স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের মোট ৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে দুইটি বড় ম্যাচ ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া এবং পাকিস্তান বনাম সাউথ আফ্রিকার ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

চেন্নাইয়ের এম এ চিতাম্বাড় স্টেডিয়াম

৬/ লাখনোর একানা স্টেডিয়াম

স্টেডিয়ামটি একনা স্পোর্টস সিটি, লাখনৌ উত্তরপ্রদেশ অবস্থিত। এই স্টুডিয়ামটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে ২০১৭ সালে এবং ২০১৯ সালে আফগানিস্তান বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ পুরুষ টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।

বর্তমানে এই স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা ৫০ হাজার। এখানে বিশ্বকাপের মোট ৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে তিনটি বড় ম্যাচ অস্ট্রেলিয়া বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়া বনাম শ্রীলংকা ও ভারত বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচগুলো এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

লাখনোর একানা স্টেডিয়াম

৭/ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়াম

পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা ৩৭ হাজার ৪০৬ জন। এটি সর্বপ্রথম ১৩ই অক্টোবর ২০১৩ সালে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে ম্যাচের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে এবং সর্বশেষ ২০২১ সালের ৮ই মার্চ ভারত বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এই স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে বাংলাদেশের দুটি ম্যাচ এই স্টেডিয়াম অনুষ্ঠিত হবে। একটি হচ্ছে ভারতের সঙ্গে অপর একটি ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। এছাড়াও এই স্টেডিয়ামে সবচেয়ে বড় ম্যাচ হিসেবে নিউজিল্যান্ড বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়াম

৮/ বেঙ্গালুরের চেন্নাই ছোয়মি স্টেডিয়াম

চেন্নাই ছোয়মি স্টেডিয়াম কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালুতে অবস্থিত। এটি প্রতিষ্ঠিত করা হয় ১৯৯৬ সালের এবং ১৯৭৪ সালে ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ পুরুষ টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।

এই স্টেডিয়ামের ধারন ক্ষমতা ৪০ হাজার। এই স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের দুইটি, নিউজিল্যান্ডের দুইটি এবং শ্রীলংকার তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ম্যাচ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান এর ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

বেঙ্গালুরের চেন্নাই ছোয়মি স্টেডিয়াম

৯/ মুম্বাইয়ের ওয়ান খেরে স্টেডিয়াম

ওয়ান খেরে স্টেডিয়াম ভারতের মুম্বাই  শহরে অবস্থিত। এখানে ভারত ক্রিকেট বোর্ডের অনেক স্মৃতি জড়িত রয়েছে। যেমন সর্বপ্রথম এখানে রবি শাস্ত্রী একটি ওভারে ছয়টি ছক্কা মারে।

এরপর ২০১১ সালে ভারত তাদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ দ্বিতীয়বারের মতো জয় করে এবং সর্বশেষ শচীন টেন্ডুলকা এই স্টেডিয়াম থেকে বিদায় নেয়। স্টুডিয়ামটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। এর ধারণক্ষমতা ৩১ হাজার ৩৭২ জন এবং এখানে সর্বপ্রথম ১৯৭৪ সালে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ পুরুষ টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে এই স্টেডিয়ামটি যাত্রা শুরু করে। এখানে বিশ্বকাপের একটি সেমিফাইনাল সহ মোট ৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

এই স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকা দুইটি ম্যাচ খেলবে। এছাড়াও এখানে কয়েকটি বড় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এর মধ্যে ইংল্যান্ড বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইন্ডিয়া বনাম শ্রীলংকা দুটি বড় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

মুম্বাইয়ের ওয়ান খেরে স্টেডিয়াম

১০/ কলকাতার ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম

কলকাতার ইডেন গার্ডেন ভারতের প্রাচীন স্টেডিয়াম গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। কেননা এই স্টেডিয়ামটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল ১৮৬৪ সালে।

তখনকার সময়ে এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ছিল মাত্র ৪০ হাজার। কিন্তু বর্তমান সময়ে এটি সংস্কার করে এর ধারণক্ষমতা করা হয়েছে ৬৬ হাজারের উপরে। ১৯৩৪ সালে ভারত এবং ইংল্যান্ড প্রথম পুরুষ টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে এই স্টেডিয়ামের যাত্রা শুরু।

এখানে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ এর সেমিফাইনাল সহ মোট ৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে কয়েকটি বড় ম্যাচ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া বনাম নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তান এবং ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

কলকাতার ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ সকল স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা

বন্ধুরা উপরে আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভারত মোট ১০ টি স্টেডিয়ামে খেলাগুলো পরিচালনা করবে এবং আমরা আরো জানতে পারলাম প্রতিটি স্টেডিয়ামের প্রতিষ্ঠাকাল এবং ধারণক্ষমতা সম্পর্কে। নিচে আরও স্পষ্ট ভাবে জানার জন্য প্রতিটি স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা টেবিল আকারে উপস্থাপন করা হলো।

                          স্টেডিয়াম                            ধারন ক্ষমতা
হায়দ্রাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম ৫৫ হাজার
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম ১ লক্ষ ৩২ হাজার
ধর্মশালার হিমাচল ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়াম ২৩ হাজার
দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম ৪১ হাজার ৮৪২
চেন্নাইয়ের এম এ চিতাম্বাড় স্টেডিয়াম ৫০ হাজার
লাখনোর একানা স্টেডিয়াম ৫০ হাজার
পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়াম ৩৭ হাজার ৪০৬
বেঙ্গালুরের চেন্নাই ছোয়মি স্টেডিয়াম ৪০ হাজার
মুম্বাইয়ের ওয়ান খেরে স্টেডিয়াম ৩১ হাজার ৩৭২
কলকাতার ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম ৬৭ হাজার

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ Live টিভি চ্যানেল

বন্ধুরা ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রিকেটপ্রেমিক ভক্তরা বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে উপভোগ করতে পারবে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের চ্যালেন গুলো এই খেলা সম্প্রচার করে থাকে।

নিচে এরকমই কয়েকটি দেশের তালিকা দেওয়া হলো। যেসব দেশ থেকে আপনি চাইলেই খুব সহজে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ সরাসরি দেখতে পারেন।

                    দেশ                টিভি চ্যানেল            অনলাইন স্ট্রিমিং
বাংলাদেশ জিটিভি, টি স্পোর্টস এবং বিটিভি Rabbitholebd.com, Rabbitholebd YouTube Channel, and Rabbithole app
ভারত স্টার স্পোর্টস, স্টার ইন্ডিয়া, স্টার মিডেল ইস্ট এবং ডিডি স্পোর্টস ডিজনি+ হস্টার
অস্ট্রেলিয়া ফক্স স্পোর্টস কায়ো, ফক্সটেল নাউ, ফক্সটেল অ্যাপ এবং আইসিসি টিভি
যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকা উইলো টিভি ইএসপিএন+, হোলো + লাইভ, এটি এবং টি টিভি, আইসিসি টিভি, সেলিং টিভি, ফবো টিভি এবং  ইউটিউব টিভি
কানাডা উইলো টিভি কানাডা হস্টার কানাডা, আইসিসি টিভি
যুক্তরাজ্য বা ইংল্যান্ড স্কাই স্পোর্টস স্কাই স্পোর্টস, স্কাই গো
মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা (মিনা) ইতিসালাত এবং স্টারজপ্লে সার্কেল লাইফ, সুইচ টিভি এবং স্টারজপ্লে, আইসিসি টিভি
দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সাব কন্টিনেন্ট আফ্রিকা সুপার স্পোর্টস সুপার স্পোর্টস ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ, গো টিভি, ডিএস টিভি
নিউজিল্যান্ড স্কাই স্পোর্টস নিউজিল্যান্ড স্কাই স্পোর্টস নাউ এবং আইসিসি টিভি
ইউরোপ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া অ্যাপ টিভি অ্যাপ টিভি
ক্যারেভিয়ান আয়ারল্যান্ড ইএসপিএন  ক্যারেভিয়ান ইএসপিএন অ্যাপ এবং আইসিসি টিভি
পাকিস্তান পিটিভি স্পোর্টস এবং এ স্পোর্টস পিটিভি স্পোর্টস, পিটিভি অ্যাপ, আরি অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট
শ্রীলংঙ্কা সিয়াথা, আই চ্যানেল এবং স্টার স্পোর্টস চ্যানেল আইস মোবাইল অ্যাপ এন্ড ওয়েবসাইট
সিঙ্গাপুর সিংটেল অ্যাপ টিভি/হস্টার
হংকং নাউ টিভি অ্যাপ টিভি
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ডিজিসেল ডিজিসেল ওয়েবসাইট / অ্যাপ
মালেশিয়া অ্যাস্ট্রো অ্যাপ টিভি, অ্যাস্ট্রো ক্রিকেট ভায়া সিংটেল
আফগানিস্তান আরটিএ মুভিয়া টিভি

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।