ঠিকানা

ঘূর্ণিঝড়ের নাম করন কেন নারীদের নামে হয়! জানুন ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করার নিয়ম

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করার নিয়ম

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করার নিয়ম! হ্যালো বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই ভাল আছেন। আবারো চলে এলাম ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ part 2 কে নিয়ে। আপনার যদি ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ part 1 দেখে না থাকেন তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে, পার্ট ওয়ানটি দেখে আসুন। বন্ধুরা আপনাদের সবাইকে আমাদের ওয়েবসাইটের স্বাগতম জানিয়ে শুরু করছি আজকের পোস্ট । ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ part 2 কে নিয়ে। তাহলে বন্ধুরা কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকে পোস্টটি।

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ

• ২০২৩ সালে ১৩টি দেশের দেওয়া ১৩টি নামসহ ১৬৯টি নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে । আগামীতে যেসব ঘূর্ণিঝড় আসবে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশের দেওয়া নাম হল ‘বিপর্যয়’; ভারত থেকে দেওয়া হল ‘ঘূর্ণি’, ‘প্রবাহ’ ও ‘ঝড়’; সৌদি আরবের থেকে দেওয়া নাম ‘আসিফ’, ইরানের ‘তুফান’ ও শ্রীলঙ্কার ‘শাখতি ‘ইত্যাদি নাম দেওয়া হয়েছে।

• নামকরণের ক্ষেত্রে অনুসৃত নীতি হলো, নাম টি কোন রাজনৈতিক সংগঠন ও বিভিন্ন ধরনের সংগঠন থেকে কপি করা যাবে না। কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গে সেটি যেন সাংঘর্ষিক না হয় এই ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। নাম হবে সর্বোচ্চ আট অক্ষরের তার বেশি বা কম নয়। নামের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না, মানে হল একটি নাম বারবার ব্যবহার করা যাবে না । নাম চূড়ান্ত করার পরও কোনো সদস্য দেশের তরফ থেকে আপত্তি এলে তা পুনঃনিরীক্ষা করা হবে। এবং সেই নাম সংশোধন করা হবে।

• এই প্রক্রিয়া অনুসরণের ফলে ঘূর্ণিঝড় অশনির পর আগুয়ান ঘূর্ণিঝড়ের নামও ঠিক করে ফেলা হয়েছে। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম হলো ‘সিত্রাং’। নামটি দিয়েছে থাইল্যান্ড দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর। সিত্রাং-এর অর্থ ‘পাতা’।

• আবহাওয়া অধিদপ্তর ধারণা অনুযায়ী , বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে যাওয়ার পথে সিত্রাং’ আঘাত হানতে পারে ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলে।

বাংলাদেশ ও বিশ্বের কয়েকটি আলোচিত ঘূর্ণিঝড়ের নাম, অর্থ ও এর উৎপত্তি সাল

১/সিডর: শব্দের উৎপত্তি সিংহলি । যার অর্থ হল চোখ। এবং এর উৎপত্তিস সাল ১৫ই নভেম্বর 2007

২/নার্গিস : উর্দ ু শব্দ থেকে উৎপত্তি। যার অর্থ ড্যাফোডিল ফুল। এবং এর উৎপত্তি সাল হলো ৩ মে , ২০০৮।

৩/হুদহুদ: শব্দের উৎপত্তি আরবি ভাষা থেকে। নামটির অর্থ ওমানের পাখির নাম অনুসারে। ৬ আগস্ট ২০১৪ সালে উৎপত্তি।

৪/আইলা: শব্দের উৎপত্তি দেবেহী। আইলা শব্দটির অর্থ শুকর জাতীয় প্রাণী। একুশে মে ২০০৯ উৎপত্তি

৫/মোরা: শব্দটির উৎপত্তি থাই। যার অর্থ হলো সাপের তারা। এর উৎপত্তি সাল ৩০ শে মে ২০১৭ সাল।

৬/ সুপার আমফান: শব্দটির উৎপত্তি থাই। শব্দটির অর্থ হল আকাশ। এর উৎপত্তি সাল 16ই মে ২০২০।

৭/ইয়াস : শব্দের উৎপত্তি ফারসি ভাষা থাকে। যার অর্থ হতাশা । এর উৎপত্তি সাল ২৩ মে ২০২১।

৮/আসানি : শব্দটির উৎপত্তি শিং হোলি শব্দ থেকে। যার অর্থ হলো ক্রোধ।। এর প্রতি সাল ৭ই মে ২০২২।

বন্ধুরা এই ছিল ২০০৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর কয়েকটি বিপদজনক ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড় প্রতিবছর বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের আশেপাশের যে সমুদ্র উপকূল রয়েছে, সেই দেশগুলোতে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির মূল কারণ ধারণা করা হয় বৈষ্ণিক উষ্ণায়ন। প্রতিবছর পৃথিবীর তাপমাত্রা 0.2 ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে তারও বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ধারণা করা হয়েছে। আসলে প্রশ্নের উষ্ণায়নের মূল কারণ হচ্ছে এই তাপমাত্রা

আর এই তামাতার মুখ সৃষ্টির মূল কারণ হচ্ছে মানুষ। মানুষ যে হারে বন জঙ্গল , গাছ গাছালি কেটে নিজেদের সুবিধা মত কাজ করছে। আর ধীরে ধীরে পৃথিবীর গাছের পরিমাণ কমে যাচ্ছে মূলত তার কারণেই পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে ঘূর্ণিঝড় বায়ু দূষণের মতো মারাত্মক মারাত্মক ঝড়ের সৃষ্টি হচ্ছে।

যা এক সময় মানব সভ্যতার বিপর্যয় ঘটাবে। এখনই যদি মানুষ সতর্ক বা আমরা যদি সতর্ক না হই তাহলে পৃথিবীর ধ্বংস কেউ ঠেকাতে পারবে না। তাই বন্ধুরা সবাই মিলে গাছ লাগান পরিবেশকে বাঁচান এবং পরিবেশ দূষণ রোধ করুন। তাহলেই দেখবেন ঘূর্ণিঝড় এর মত মারাত্মক মারাত্মক ঝড়ের হাত থেকে আমরা রক্ষা পাবো।

বন্ধুরা আজকের পোস্টটি এই পর্যন্তই। পরে অন্য কোন পোষ্টের সাথে আপনাদের সাথে দেখা হচ্ছে । ভালো থাকুন এবং আপনার চার পাশ পরিষ্কার রাখুন। সবাইকে ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।