লাইফস্টাইল

মোটা হওয়ার সহজ ৭টি উপায় ও ডাক্তারের পরামর্শ

মোটা হওয়ার সহজ উপায়

মোটা হওয়ার জন্য ওজন বাড়ানো:

মোটা হওয়ার সহজ উপায়! অতিরিক্ত ওজন যেমন শরীরের প্রতি খারাপ। ঠিক তেমনি স্বাস্থ্য সম্মত শরীর না থাকলে দেখতেও খারাপ লাগে। সুষম খাবার ও নিয়মিত ব্যায়াম করলে ওজন বাড়তে পারে। কিছু কিছু মানাষের শরীর এত চিকন যা নিয়ে তারা খুবই চিন্তিত । সবায় চায় একটি স্বাস্থ্য সম্মত স্বাস্থ্য চায়। সবাই চায় তাদের শরীর দেখতে আর্কষনীয় হউক। ওজন বাড়ায় শরীরকে সুন্দর করে তুলতে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়।

শরীরের ওজন কম হওয়ার কারণ:

সাধারনত বিভিন্ন কারনে ওজন কম হয়ে থাকে। কোন কোন সময় শরীরে নানান সমস্যার কারনে ওজন কম হয়ে থাকে। অনিয়মিত খদ্যাভাস, মানসিক চিন্তা, ডায়রিয়া, ডায়াবেটিস বা ড্রাগ নেওয়া সে সব ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সাধারনত খারাপ হয়ে থাকে। এছাড়া বয়সের ক্ষেত্রেও সাধারনত ওজন কম হয়ে থাকে। ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে সাধারনত কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়।

মোটা হওয়ার কিছু উপায়:

আপনার ওজন যদি অতিরিক্ত কম হয় তাহলে প্রথমে একটি ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া দরকার। যদি কোন জটিল সমস্যা না হয় তাহলে অব্যশই শরীর ভালো থাকবে। আর যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কিছু নিয়ম আছে তা মেনে চললে শরীরের ওজন বাড়বে।

১. সুষম খাবার

মোটা হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট গ্রুপের খাদ্য কার্বোহাইডেট, বা চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খান অনেকে। এতে করে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। সব পুষ্টি আছে এমন খাবার খেতে হবে । তা নাহলে ডাক্তএরর পরামর্শ নিতে হবে।

শর্করা  জাতীয় খাবার ,প্রেটিন, ভিটামিন, চর্বি বা  দুধ জাতীয় খাবার এবং খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ ফলমূল ইত্যাদি সব খেতে হবে। সাথে সম পরিমান পানি পান করতে হবে। মানষের মরূরের উচ্চতা অনুযায়ি প্রতি লিটার পানি পান করা দরকার।

২. স্বাস্থ্য কর জীবন যাপন

যে কোন শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য দরকার পরিষ্কার মন মানসিকতার। স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে জীবন যাপন করতে। অপরিষ্কার পরিবেশে থেকে যত পুষ্টি কর খাবার খাওয়া হোক না কেন সেটা শরীরের পক্ষে ভালো হয় না। সুতরাং চেষ্টা করতে হবে যত দুর সম্ভব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার খাওয়া ।

৩. ফল খাওয়া দরকার

ফল হলো একটি পুষ্টি কর খাবার। এতে প্রচুর পরিমানে ক্যালোরি রয়েছে। সে জন্য যতদুর সম্ভব  বেশি বেশি করে ফল খাওয়া দরকার । ফলের রস , ফলের তৈরি বিভিন্ন সিরাপ, গাম , জ্যাম জ্যালি, এগুলো বেশি বেশি করে খান। তাহলে শরীর অনেকটা ফ্যাট করে দিতে পারে।

৪. নিয়মিত ব্যায়াম করা

অনেক সময় ব্যায়া্রম করলে ওজন কমে । কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যায়াম করলে ওজন বাড়তেও পারে। প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করলে ক্ষুদা বাড়বে , হজম প্রক্রিয়া ভালো হবে, ঘুম ভালো হবে। সেজন্য জিমেও যেতে পারেন বা বাড়ীতে বসে ইয়োগা করতে পারেন বা সাঁতার কাটতে পারেন। তাতে হজম ক্ষমতা বাড়বে এবং ক্ষুদা লাগবে বেশি করে। আর ঠিক করে খেলে শরীর ভালো থাকবে এবং ওজন বাড়াতে সহায়তা করবে।

৫. নিয়মিত সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া

প্রতিদিন খাবারের রুটিন ঠিক করে মেনটেন করতে হবে। অথ্যাৎ সকালের নাস্তা ঠিক করে খেতে হবে। দুপুরের খাবার দুপুরে এবং রাতের খাবার রাতে প্রতিদিন নিয়মিত থেতে হবে । সঠিক সময়ে না খেলে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে । গ্যাসের সমস্যা হলে ঠিক করে খেতে ইচ্ছা করতে হয় না। তখন সেটা স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ হতে পার্ েসেজন্য নিয়মিত খাবার খেতে হবে।

৬. কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ

যাদের ওজন বেশি তাদেরকে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ না করতে বলা হয়। সেক্ষেত্রে যার ওজন কম তাদের ক্ষেত্রে এটা সেবন করা দরকার। তাহলে স্বাস্থ্য উন্নত হতে পারে। কার্বোহাইড্রেটের প্রধান উপাদান ভাত ও রুটি। খাবার রুটিনে এই খাবার গুলো রাখতে হবে। তাহলে শরীর ভালো থাকবে। (মোটা হওয়ার সহজ উপায়)

৭. পর্যাপ্ত ঘুমানো

শরীরকে কঠোর পরিশ্রমের পাশা পাশি নিয়মিত রেষ্ট ও দিতে হবে। নিয়মিত ঘুমাতে হবে। প্রতিদিন নিয়মিত ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। কারণ প্রয়োজনীয় ঘুম না হলে শরীরে খাবার গিয়ে সঠিক ভাবে হজম হবে না। এবং শরীরে পুষ্টির যোগান কম হবে। ঘুম যেন ভালো হয় সে জন্য সময় মত ঘুমাতে যেতে হবে । আর যদি ঘুমানোর আগে একটু ব্যায়াম করা যায় তাহলে সেটা অনেক ভালো হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।