উৎসব

২০২৪ সালে রোজা শুরু এবং শেষ হওয়ার তারিখ ও ইসলামী ফজিলত

২০২৪ সালে রোজা কত তারিখে! বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সকলে ভালো আছেন। দেখতে দেখতে ২০২৪ সাল পড়ে গেল। আর প্রত্যেক মুসলমানের কাছে প্রতিবছর রোজা পালন করা ফরজ।

২০২৪ সালে রোজা কত তারিখে

তাই ২০২৪ সালের রোজা কত তারিখে এবং কবে মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে সেই সম্পর্কে আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করব। যারা ২০২৪ সালের রমজান মাসের সময় সম্পর্কে জানার জন্য উৎসাহী তাদের জন্য আজকের পোস্টটি।

বন্ধুরা আপনাদের কাছে একটি বিনীত অনুরোধ আপনারা এই পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ারের মাধ্যমে আপনার বন্ধু-বান্ধবদের এমনকি আপনার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের ঈদুল ফিতরের সময় সম্পর্কে জানিয়ে দিন। এতে করে তারা অনেক আগে থেকেই ঈদুল ফিতরের প্রস্তুতি নিতে পারবে। আর এতে করে আপনি আল্লাহর প্রিয় বান্দার গ্রহণযোগ্যতা পেতে পারেন এবং অনেক বেশি সওয়াব কামাই করতে পারেন।

২০২৪ ঈদুল ফিতরের সময়সূচী

আমরা সকলেই জানি মুসলমানদের দুটি বড় ধর্মীয় উৎসব হলো ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা। এর মধ্যে ঈদুল আযহা মূলত ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার পর পালিত হয়ে থাকে। আর এজন্য ঈদুল ফিতর মুসলমানদের কাছে মুখ্য বিষয়। কেননা ঈদুল ফিতরের পর টানা ৯০ দিন অতিবাহিত করে ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়।

এটি একটি নির্ধারিত সময়। কিন্তু ঈদুল ফিতর নির্ধারিত নয়। এটি চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে শুরু হয় এবং চাঁদ দেখার মাধ্যমে শেষ হয়। তাই ২০২৪ সালের ঈদুল ফিতর শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ১০ মার্চ রবিবার এবং শেষ হওয়ার তারিখ ৯ এপ্রিল সোমবার। তবে এটা নিশ্চিত করে বলা যায় যে মার্চ মাসেই রোজা শুরু হবে এবং এপ্রিলেই শেষ হবে।২০২৪ সালে রোজা কত তারিখে

রমজান মাসের ফজিলত

রমজান মাসকে আল্লাহতালা বরকতময় মাস হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ সময় সকল মুসলমানের উপর রোজা রাখা ফরজ এবং প্রত্যেক রোজার বিনিময়ে আল্লাহ নিজেই প্রতিদান দিবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এই সময়টিতে যারা ইবাদত বন্দেগীতে মশগুল থাকে মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে আল্লাহ্‌ নিজ হাতে তার প্রতিদান দেবে।

এছাড়া এই সময় এক ওয়াক্ত নামাজ পরা মানে ১০ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার সময়। রমজান মাসে আল্লাহ তায়ালা অনেক বেশি বেশি দান সদকা করতে বলেছেন। কেননা যত বেশি দান করা হয় আল্লাহ তাআলা তত বেশি বরকত দিয়ে দেয়। এই রমজান মাসের মাধ্যমেই জানা সম্ভব গরিব দুঃখী মানুষের দুঃখ। কেননা যখন কোন গরিব টাকা না থাকার কারণে না খেয়ে রাত্রে ঘুমায় বা সারাদিন অতিবাহিত করে তার যে যন্ত্রনা সেটা ধনী ব্যক্তিরা বুঝতে পারে আল্লাহতালার এই সিয়াম এর মাধ্যমে। তাই আল্লাহ তায়ালা বলেছেন গরীব দুঃখীদেরকে অনেক বেশি বেশি দান করতে। এতে করে তারা সমাজের প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।