তথ্য ও প্রযুক্তি

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ব্র্যান্ড Infinix কোম্পানি মালিক ও ইতিহাস

Infinix কোম্পানির ইতিহাস! হ্যালো বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই ভাল আছেন। বন্ধুরা আজকের পোস্টে জানবো ইনফিনিক্স কম্পানি কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ? আর ইনফিনিক্স কোম্পানি বাংলাদেশ কিভাবে আসলো? কোন ফোনর মাধ্যমে infinix কোম্পানি এত বেশি রেসপন্স পেয়েছে? সব প্রশ্নের উত্তর জানাবো আজকের এই পোস্টটিতে তাই বন্ধুরা করে পুরো পোস্ট দিয়ে পড়ুন আর এসব তথ্য সম্পর্কে জানুন ।

Infinix কোম্পানির ইতিহাস

Infinix Mobile আনুষ্ঠানিকভাবে 2013 সালে চালু করা হয়

বন্ধুরা আপনার একটা জিনিস লক্ষ করেছেন কি? বাংলাদেশের যত কোম্পানি আছে সবগুলো কোম্পানি থেকে ইনফিনিক্স কোম্পানির যত মোবাইল ফোন আছে তাদের দাম খুবই কম থাকে এবং পারফরম্যান্স ব্যাটারি ব্যাকআপ সবকিছুই ভালো দিয়ে থাকে। আর এই একই ফোন অন্য একটি কোম্পানিতে কিনতে যাবেন একই ব্যাটারি একই প্রসেসর দেখবেন এর থেকে অনেক দাম বেশি । ইনফিনিক্স কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হল হংকং ভিত্তিক কোম্পানি থেকে। এটির সাংহাই (চীন) এবং প্যারিস (ফ্রান্স) শহরে গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে। ফোনগুলো চীনে তৈরি হয়। Infinix বিশ্বব্যাপী অনলাইন স্টার্ট আপ এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল দৃশ্য থেকে , এই কোম্পানির মোবাইল ফোন সেল করে অনলাইন এর মাধ্যমে।

বানিজ্যিক রণনীতি: Infinix Mobile বাংলাদেশে তার ব্যবসা শুরু করে 2016 সালে। কিন্তু তাদের কোন ফিজিক্যাল শপ বা সার্ভিস সেন্টার ছিল না। বরং, তারা স্থানীয় অনলাইন শপের মাধ্যমে সরাসরি তাদের ফোন বিক্রি করতে শুরু করে। তাদের মডেলের ডিজাইন, স্পেস এবং দাম ছিল খুবই আকর্ষণীয়। যাইহোক, দেশে একটি অনুগত ভোক্তা বেস গড়ে তোলার জন্য কোনও শারীরিক দোকান বা পরিষেবা কেন্দ্র না থাকা একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অন্যদিকে, এই কোম্পানির জন্য বিনিয়োগ, ঝুঁকি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন অনেক কম। এইভাবে একটি লাভজনক ব্যবসা করার সম্ভাবনা কম বিক্রির সাথেও বেশি। অধিকন্তু, এটি ব্র্যান্ডকে তাদের স্মার্টফোনগুলি অনেক কম দামে অফার করার অনুমতি দেয়।

তবে 2023 সাল পর্যন্ত, Infinix Mobile সারা দেশে ফিজিক্যাল শপ এবং পরিষেবা কেন্দ্র স্থাপন করেছে যেখানে গ্রাহকরা সরাসরি তাদের অফিসিয়াল ফোন কিনতে এবং পরিষেবা পেতে পারেন। এটি অবশ্যই ব্র্যান্ডটিকে বাজারে আরও শক্তিশালী জায়গা তৈরি করতে সহায়তা করবে।(Infinix কোম্পানির ইতিহাস)

বাংলাদেশে ইনফিনিক্সের ভবিষ্যৎ

ইনফিনিক্স একটি আধুনিক এবং আপ টু ডেট স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের অন্তর্গত যা ভালো স্পেস এবং মূল্যের সাথে কাজ করে থাকে। Infinix Note 10, Hot 11 Play, Hot 11S-এর মতো সাম্প্রতিক ফোনগুলো বাজার থেকে ভালো সাড়া পেয়েছে। সুতরাং, তাদের এখানে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণ করা হয়।

অন্যান্য কোম্পানি সাথে টক্কর দিতে শুরু করেছে। ইনফিনিক্স কোম্পানি মূল বৈশিষ্ট্য হলো এরা অল্প দামি প্রোডাক্ট বিক্রি করে। বন্ধুরা আজকের এই পর্যন্ত দেখা হচ্ছে অন্য কোন পোস্টে। পোস্টটি পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।