ব্যবসায় উদ্যোগ

কাঁকড়ার মূল লাখ টাকারও বেশি বেড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা

বর্তমান বাংলাদেশে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ হয়ে ওঠেছে। এক ঝুড়ি কাঁকড়ায় বিক্রয় মূল্য পাচ্ছেন লাখ টাকারও বেশী। তাই বলা যায় যে কাঁকড়া ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন অনেক চিংড়ি চাষী রাও। বর্তমানে ঢাকার বাজারে এক কেজি বড় কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ টাকা। এতে কক্সবাজারে উৎপাদিত কাঁকড়ার চাহিদা আর্ন্তজাতিকভাবে বেশী বলে জানালেন রপ্তানীকারকরা।

কাঁকড়ার দাম

বাংলাদেশ কিন্তু কাঁকড়া পাওয়া যায় কিন্তু খুব কম, এখন বর্তমানে খাল বিল নদী নালা এবং কি কান্দেরে কাঁকড়া পাওয়া যাচ্ছে যেমন মহেশখালী, টেকনাফ, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন চিংড়ি প্রজেক্টে মৌসুমী কাঁকড়া চাষ ছাড়াও নাফনদী, কোহেলিয়া নদী, সোনাদিয়ার মোহনা ও মহেশখালী চ্যানেল থেকে প্রচুর কাঁকড়া আহরণ করেন কাঁকড়া ব্যবসায়িরা। এছাড়াও জেলাব্যাপী অন্তত দেড় শতাধিক কাঁকড়া হ্যাচারী রয়েছে ব্যবসায়ীরা বর্তমানে কাঁকড়া হ্যাচারি তৈরি করেছেন ।

আপনারা জানেন যে কক্সবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক শান্তি লাল নন্দী জানিয়েছেন, কাঁকড়ার দর সন্তোষজনক। কাঁকড়ার দর বাড়ার সাথে সাথে প্রজেক্টের ইজরামূল্যও বেড়ে গেছে। এছাড়া বড় একটি কাঁকড়ার মূল্য হাজার টাকারও বেশী।

আপনারা জানেন যে কাকড়ার অনেক মূল্য যে যেখানে পায় সে আর দেরী না করে কাঁকড়া নিয়ে আসে বিক্রি করার জন্য । আর বিক্রি করে পায় নগদ টাকা। বর্তমানে নতুন পদ্ধতিতে কাঁকড়া সরবরাহ করেছেন, এখন তা পরিবর্তন হয়েছে। এখন ব্যবসায়ীর উপর নির্ভর করে কাঁকড়ার দর। যার ফলে ইচ্ছেমত দর দেওয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। সরকার কাঁকড়া ব্যবসায়িদের ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে কাঁকড়া উৎপাদন দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা আরো বেশী অর্জিত হবে। দেশে উৎপাদিত কাঁকড়া খাওয়ার সামর্থ স্থানীয়দের নেই। অনেকে সখ করেও কাঁকড়া খেতে পারছেন না। একটু কাঁকড়ার দাম কমানোর দাবি করেন সরকার কাছে।

বর্তমানে কাকড়ার ব্যবসা জটিল ব্যবসা

কাঁকড়া ব্যবসা সমিতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র মহেশখালীতেই রয়েছে একটি নিবন্ধিত সমিতি। এই সমিতি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে উপকূলের অধিকাংশ ব্যবসা।মহেশখালী কাঁকড়া উৎপাদন ও রপ্তানী বহুমুখী সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সরকারি সহায়তা পেলে মহেশখালীতেই কয়েক হাজার কোটি টাকার কাঁকড়া উৎপাদন করা সম্ভব।

অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ১২০ গ্রাম এর কম কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ হলেও এই সুযোগে স্থানীয় বনবিভাগ বড় কাঁকড়া আটকিয়ে টাকা দাবী করে। এটি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এ বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হচ্ছে না। সরকার কাঁকড়া উৎপাদন বাড়াতে ঋণ দিলে আমরা উপকৃত হব তার জন্য বলা যাচ্ছে যে সরকারকে কাঁকড়া ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ দেওয়া হয়। যেন উপকৃত হতে পারে কাঁকড়া ব্যবসায়ীরা।আমাদের মধ্যে এবারে বিশিষ্ট ব্যবসায়ি দিলীপ কুমার শীল জানিয়েছেন, দাম বাড়ার কারণে ব্যবসায় প্রতিযোগীতা বেড়েছে। ঢাকা থেকে প্রেরিত ৫ আগষ্ট এর কাঁকড়ার দর জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ডাবল এফ ওয়ান – প্রতিকেজি ৯৩০ টাকা

এফ ওয়ান -৭০০ টাকা, এফ টু- ৫৫০ টাকা, এফ ত্রি-৪৫০ টাকা, ডাবল এক্সেল প্রতিকেজি-৯৫০ টাকা, এক্সেল-৭০০ টাকা, এল-৫৫০ টাকা ও এসএম-৩০০ টাকা। ২৪ ঘন্টা আগেই এভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় কাঁকড়ার দর। শুধুমাত্র ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে হ্যাচারী গড়ে তুলে কাঁকড়া উৎপাদন আরো বাড়াতে পারব।ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলার ৬টি উপজেলায় অন্তত সাড়ে ৪ হাজার কাঁকড়া চাষী আছেন। প্রতি বছর চাষীর সংখ্যা বাড়ছে।বর্তমানে বাংলাদেশের সাড়ে চার হাজারেরও বেশি কাঁকড়া চাসি আছে কাঁকড়া চাচী আরও বাড়বে এই আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান বলেন,এবার ৯০০ মেট্রিক টন কাঁকড়া উৎপাদন করা হবে বলে মনে হয়। এখনো মৌসুম শেষ হয়নি। কাঁকড়া কক্সবাজার জেলার জন্য অর্থনৈতিক গুরুত্ব বহন করে।আপনারা জানেন যে কাকড়ার দাম অনেক তার জন্য কাঁকড়া ব্যবসায়ীদের অনেক লাভ হচ্ছে বলা যায়।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।